কবি নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির প্রতিবাদলিপি

বিশ্ববিদ্যালয় সংবাদদাতা

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘শিক্ষক সমিতি’কে শিক্ষকদের একাংশ অযোগ্য ও অবাঞ্চিত ঘোষণার প্রতিবাদ জানিয়েছে শিক্ষক সমিতি। সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের স্বাক্ষরিত এক প্রতিবাদ লিপিতে উল্লেখ করা হয়- জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘শিক্ষক সমিতি’ সকল শিক্ষকদের একটি সংগঠন। সুষ্ঠ নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে সকলের অংশগ্রহণ ও নির্বাচনের মাধ্যমে এটি গঠিত হয়। সম্মানিত শিক্ষকগণের মধ্যে কোনো কোনো বিষয়ে মতপার্থক্য থাকতে পারে, সেটাই স্বাভাবিক। তবে তা নিয়ে দু/একজন যদি ‘শিক্ষক সমিতি’কে ‘অবাঞ্ছিত’ ঘোষণা করেন তা নিতান্ত অযৌক্তিক এবং হাস্যকর। শিক্ষক সমিতি এধরনের কার্যকলাপে নিন্দাজ্ঞাপন করছে। উল্লেখ্য, সকল ধরনের দুর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে আমাদের পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি চলমান থাকবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের একাংশ লিখিত বক্তব্য এ জানান, সোমবার দুপুরে শিক্ষক সমিতির সাধারণ সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্দোলনরত শিক্ষকদের হেয়প্রতিপন্ন এবং অপমান করায় তারা শিক্ষক সমিতিকে অবাঞ্চিত ঘোষণা করেছেন। এই বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্দোলনরত শিক্ষক সঞ্জয় কুমার জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার ও দায়িত্ববান উপাচার্য অধ্যাপক এ এম এন শামসুর রহমানের দুর্নীতির প্রতিবেদন বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হওয়ার পর শিক্ষক সমিতির কোন জোরালো ভূমিকা দেখা যায় নি।

আন্দোলনকারী অপর শিক্ষক রেজুয়ান শুভ্র জানান, শিক্ষক সমিতি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক তথা বাংলাদেশের শিক্ষক সমিতিকে অপমান করেছে বিধায় আমরা শিক্ষক সমিতি থেকে বের হয়ে এসেছি।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম জানান, কোন শিক্ষককে সম্মানহানি করা হয়নি। শিক্ষক সমিতি আগামীকাল দুর্নীতির বিরুদ্ধে মানববন্ধনের আয়োজন করেছে।

শিক্ষক সমিতির সদস্য অধ্যাপক শাহজাদা আহসান হাবীব জানান, শিক্ষক সমিতিকে উদ্দেশ্যপ্রণীত ভাবে হেয় করা হচ্ছে। শিক্ষক সমিতির উদ্যোগেই বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল দুর্নীতির বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপতি,প্রধানমন্ত্রী,শিক্ষামন্ত্রীর কাছে স্বারকলিপি দেওয়া হবে ।

এই দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী দুর্নীতির বিরুদ্ধে জাককানইবি ব্যানারে আন্দোলনরত শিক্ষকরা আগামীকাল মঙ্গলবার দুপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে দুর্নীতির বিরুদ্ধে অবস্থান কর্মসূচির উদ্যোগ নিয়েছেন।